• Business Drift
  • Posts
  • ই-বুক লিখে শুরু করুন আপনার প্যাসিভ ইনকাম।

ই-বুক লিখে শুরু করুন আপনার প্যাসিভ ইনকাম।

ই-বুকের মাধ্যমে শুরু করুন আপনার ডিজিটাল জার্নি!

প্রিয় উদ্যোক্তারা,

নতুন বছরের শুরুতেই নতুন কিছু করার চমৎকার সুযোগ! Business Drifts সবসময় আপনার জন্য ইউনিক আর প্রফিটেবল আইডিয়া নিয়ে আসে, আর আজও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

আজ আমরা এমন একটা আইডিয়া নিয়ে কথা বলবো যা সবার জন্য সহজ এবং লাভজনক। সেটা হলো— ই-বুক লিখা। ই-বুক লিখে আপনি আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারেন, গ্লোবাল অডিয়েন্সের কাছে পৌঁছাতে পারেন, আর নিজের ব্র্যান্ড তৈরি করতে পারেন—সবকিছুই খুব সহজে।

 কেন ই-বুক লিখবেন?

১. এক্সপার্ট হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলার জন্য: নিজের অভিজ্ঞতা আর দক্ষতা শেয়ার করে আপনি আপনার ফিল্ডে লিডার হিসেবে পরিচিতি পেতে পারেন। যদি আপনি এমন কিছু জানেন যা অন্যরা জানে না, তাহলে সেটা শেয়ার করার মাধ্যমে আপনি নিজেকে এক্সপার্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন।

২. গ্লোবাল অডিয়েন্সের কাছে পৌঁছানোর জন্য: ই-বুক এমন একটা প্ল্যাটফর্ম, যা আপনাকে দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে সারা বিশ্বে পাঠকদের কাছে পৌঁছে দেবে। আপনি যে কোনো জায়গা থেকে আপনার বই বিক্রি করতে পারবেন, আর সেটা বিশ্বের যেকোনো কোণায় পৌঁছাবে।

৩. ইনকাম করার জন্য: একবার ই-বুক লিখে ফেললে, সেটা থেকে নিয়মিত আয় পাওয়া শুরু হবে, আর তাও কম পরিশ্রমে। এটা একটা প্যাসিভ ইনকাম উৎস, যেটা আপনি একবার তৈরি করলেই বারবার আয় করতে পারবেন।

৪. নিজের ব্র্যান্ড তৈরি করার জন্য: আপনি যদি ফ্রিল্যান্সার, কনসালট্যান্ট, বা বিজনেস ওনার হন, তবে ই-বুক আপনার ক্রেডিবিলিটি অনেক বাড়িয়ে দেবে। এটা আপনাকে নতুন আয়ের সুযোগও এনে দেবে এবং আপনার ব্র্যান্ডকে আরও শক্তিশালী করবে। একটা ইস্টিমেশন দেই। ধরুন আপনি একটি ইবুক বানালেন এবং প্রাইজ রাখলেন ২০০ টাকা। এবার এই ইবুক ১০০০০ মানুষের কাছে বিক্রি করতে পারলে আপনি প্রায় ২০ লাখ টাকা জেনারেট করতে পারবেন। এখন সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো এই ১০০০০ সেল জেনারেট করা পসিবল মাত্র ৩ মাসেই। এর জন্য আপনাকে অনেকগুলো ফান্ডামেন্টাল ব্যাপার ও স্কিল জানতে হবে। আপনি চাইলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আমরা এই ব্যাপারে আপনাকে ইন ডিটেইলস হেল্প করতে পারবো। যোগাযোগ করতে হোয়াটসঅ্যাপে নক দিতে পারেন। নাম্বার - 01811895212

 কী বিষয়ে লিখবেন?

বিজনেস স্ট্র্যাটেজি: আপনি যদি বিজনেস নিয়ে ভালো ধারণা রাখেন, তাহলে সেগুলো শেয়ার করতে পারেন—যেমন কিভাবে বিজনেস শুরু করা যায়, গ্রো করা যায়, ফাইন্যান্স প্ল্যানিং বা অন্য টিপস।

পার্সোনাল ডেভেলপমেন্ট: প্রোডাক্টিভিটি, লিডারশিপ, বা ওয়ার্ক-লাইফ ব্যালেন্স নিয়ে আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন। অন্যদের সাহায্য করতে পারেন যেন তারা নিজেদের আরও ভালোভাবে ম্যানেজ করতে পারে।

টেকনোলজি ট্রেন্ডস: AI, ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন, বা IT স্ট্র্যাটেজি নিয়ে নিজের জ্ঞান শেয়ার করুন।

ক্রিয়েটিভ হবি: ফটোগ্রাফি, রাইটিং, ক্রাফটিং বা অন্য কোনো স্কিল শেখানোর জন্য লিখতে পারেন।

ইন্ডাস্ট্রি-স্পেসিফিক গাইডলাইন: হেলথ, এডুকেশন, রিয়েল এস্টেট, বা শেয়ার মার্কেট নিয়ে লিখেও ই-বুক তৈরি করতে পারেন।

 শুরু করবেন কীভাবে?

১. টপিক নির্বাচন করুন: প্রথমে ভেবে দেখুন, কোন বিষয় নিয়ে আপনি সবচেয়ে বেশি প্যাশনেট আর জানেন। যেটা নিয়ে আপনি কথা বলতে পছন্দ করেন, সেটাই বেছে নিন। সেই বিষয়ে আপনার অভিজ্ঞতা বা টিপস অন্যদের কাজে আসবে!

২. অডিয়েন্সের সাইকোলজি বুঝুন: আপনার পাঠকরা কী চান বা কী সমস্যার সমাধান তারা খুঁজছেন, সেটা বুঝে কন্টেন্ট তৈরি করুন। তাদের দরকারী তথ্য দিতে পারলে আপনার বইটা আরো বেশি পাঠক পাবে।

৩. কন্টেন্টের আউটলাইন তৈরি করুন: কন্টেন্টে একটা পরিষ্কার স্ট্রাকচার থাকা উচিত। চ্যাপ্টারগুলোকে সোজাসাপ্টা আর বোধগম্য রাখুন। যেমন, কিভাবে বইটা শুরু হবে, মাঝখানে কী থাকবে এবং শেষ কীভাবে হবে—এই প্ল্যানটা আগে থেকেই তৈরি করে নিন।

৪. সহজ ভাষায় লিখুন: সিম্পল ভাষায় লিখুন, যাতে সবাই সহজেই বুঝতে পারে। রিয়েল উদাহরণ আর ছবি যোগ করতে পারেন, যাতে পাঠকদের আগ্রহ বজায় থাকে।

৫. ডিজাইন আর ফরম্যাটিং: কভার ডিজাইন আর লেআউট নিয়ে চিন্তা করুন। আপনি চাইলে Canva বা অন্য ডিজাইন টুল ব্যবহার করতে পারেন অথবা প্রফেশনাল ডিজাইনারের সাহায্য নিতে পারেন।

৬. পাবলিশ এবং মার্কেটিং করুন: ই-বুকটি Amazon Kindle, Gumroad বা নিজের ওয়েবসাইটে পাবলিশ করুন। সোশ্যাল মিডিয়া ও ইমেইল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে বইটা প্রমোট করুন। এটা আপনার বইয়ের পক্ষে কাজ করবে!

আর্থিক সুবিধা লো ইনভেস্টমেন্ট: প্রিন্ট করতে হবে না, সবকিছু ডিজিটাল, তাই খরচ কম।

হাই স্কেলেবিলিটি: পৃথিবীর যেকোনো জায়গায় আপনার বই বিক্রি হতে পারে।

রিক্যারিং ইনকাম: একবার লিখে রাখলে, প্রতি সেল থেকে আয় আসবে।

কেন এখন?

বিশ্বজুড়ে ডিজিটাল মার্কেট ক্রমশ বড় হচ্ছে। ই-বুক হলো নলেজ শেয়ারিং আর ব্র্যান্ড বিল্ডিংয়ের অন্যতম শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম। আপনি যদি আজ শুরু করেন, তাহলে এই স্পেসে পায়োনিয়ার হতে পারবেন!

Business Drifts-এর পরামর্শ

ই-বুক লেখা শুধু ক্রিয়েটিভিটি নয়, এটা একটা স্মার্ট বিজনেস স্ট্র্যাটেজি। সঠিক পরিকল্পনা আর ডেডিকেশন দিয়ে আপনি নিজের দক্ষতাকে একটি ট্যাংজিবল প্রোডাক্টে পরিণত করতে পারবেন, যা দীর্ঘমেয়াদে প্রভাব ফেলবে। এখন আর দেরি কেন? ই-বুক লেখা শুরু করুন এবং নিজের যাত্রা শুরু করুন! যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে বা সাহায্যের দরকার হয়, Business Drifts সবসময় আপনার পাশে আছে।

সাথেই থাকুন,

Team Business Drifts

"It’s not over until we win."